Dhaka ১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাতার এশিয়ার সেরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২৮৯ Time View

স্পোর্টস: এএফসি এশিয়ান কাপের ফাইনালে পেনাল্টি হলো তিনটি। সবগুলো পেনাল্টি পেলো কাতার। তিনটি পেনাল্টিই কাজে লাগালেন কাতারের আকরাম আফিফ। আর এতেই জর্ডানের রূপকথা থামিয়ে ৩-১ গোলের জয়ে টানা দ্বিতীয়বার এফসি এশিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কাতার। পঞ্চম দল হিসেবে এশিয়ান কাপে একাধিক শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়লো কাতার। গত শনিবার দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মাঠে নামে কাতার ও জর্ডান। ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে কাতার। ম্যাচের ২০ মিনিটে প্রথম পেনাল্টি পায় কাতার। ডি বক্সে আফিফকে ফাউল করেন আব্দল্লাহ নাসিব। স্পট কিকে দলকে লিড এনে দেন আফিফ। ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে জর্ডান। তবে গোল করতে ব্যর্থ হয় তারা। অন্যদিকে বেশ কিছু সু্যােগ নষ্ট করে কাতার। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে সমতায় ফেরে জর্ডান। মিডফিল্ডার এহসান হাদ্দাদের পাসে দুর্দান্ত এক গোলে সমতা ফেরান আল নাইমাত। তবে এই সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি জর্ডান। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে ফের পেনাল্টি পায় কাতার। সেখান থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ফের কাতারকে লিড এনে দেন আফিফ। ম্যাচের নির্ধারিত সময়য় পর্যন্ত এই লিড ধরে রাখে কাতার। ম্যাচের ৯৫ মিনিটে ফের পেনাল্টি পায় কাতার। সেখান থেকে বল জালে জড়িয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আফিফ। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয়ে শিরোপা জয়ের উৎসবে মাতে কাতার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

কাতার এশিয়ার সেরা

Update Time : ০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

স্পোর্টস: এএফসি এশিয়ান কাপের ফাইনালে পেনাল্টি হলো তিনটি। সবগুলো পেনাল্টি পেলো কাতার। তিনটি পেনাল্টিই কাজে লাগালেন কাতারের আকরাম আফিফ। আর এতেই জর্ডানের রূপকথা থামিয়ে ৩-১ গোলের জয়ে টানা দ্বিতীয়বার এফসি এশিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কাতার। পঞ্চম দল হিসেবে এশিয়ান কাপে একাধিক শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়লো কাতার। গত শনিবার দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মাঠে নামে কাতার ও জর্ডান। ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে কাতার। ম্যাচের ২০ মিনিটে প্রথম পেনাল্টি পায় কাতার। ডি বক্সে আফিফকে ফাউল করেন আব্দল্লাহ নাসিব। স্পট কিকে দলকে লিড এনে দেন আফিফ। ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে জর্ডান। তবে গোল করতে ব্যর্থ হয় তারা। অন্যদিকে বেশ কিছু সু্যােগ নষ্ট করে কাতার। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে সমতায় ফেরে জর্ডান। মিডফিল্ডার এহসান হাদ্দাদের পাসে দুর্দান্ত এক গোলে সমতা ফেরান আল নাইমাত। তবে এই সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি জর্ডান। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে ফের পেনাল্টি পায় কাতার। সেখান থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ফের কাতারকে লিড এনে দেন আফিফ। ম্যাচের নির্ধারিত সময়য় পর্যন্ত এই লিড ধরে রাখে কাতার। ম্যাচের ৯৫ মিনিটে ফের পেনাল্টি পায় কাতার। সেখান থেকে বল জালে জড়িয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আফিফ। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয়ে শিরোপা জয়ের উৎসবে মাতে কাতার।