Dhaka ১২:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডুমুরিয়ায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি  উদ্ধার

ডুমুরিয়ায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি  উদ্ধার

খুলনার ডুমুরিয়ার বাস স্ট্যান্ডে থেকে অজ্ঞাত নামা এক ব্যক্তি কে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় জনসাধারণ। জানা গেছে সাতক্ষীরা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস খুলনায় যাওয়ার পথে তাকে ডুমুরিয়া বাস স্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনিতে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

 

স্থানীয় জনগণ তাকে উদ্ধার করে, ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এ ব্যক্তিকে কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করে তার সর্বস্ব লুটে নিয়েছে।

 

উল্লেখ্য দেশে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছেন। হতাহতের ঘটনাও কম-বেশি ঘটেছে। এই অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তিন ধাপে কাজ করে। প্রথম ধাপে থাকে হকাররা। নির্ধারিত হকার ডাব, শরবত বা কোমল পানীয়ের সঙ্গে অজ্ঞান করার ট্যাবলেট সুকৌশলে মিশিয়ে টার্গেটকৃত ব্যক্তিকে খাইয়ে দেয়। খাওয়ার পর থেকেই তাকে অনুসরণ করতে থাকে অজ্ঞান পার্টির দ্বিতীয় ধাপের সদস্যরা। আর তৃতীয় ধাপের সদস্যরা টার্গেট করা ব্যক্তি অচেতন হয়ে পড়লে, তার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে
পালিয়ে যায়। হাতিয়ে নেয়া টাকা পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী জমা হয় পার্টির প্রধানের কাছে। পরে সেগুলো ভাগ-বাটোয়ারা হয়। অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহৃত হয় আমদানি নিষিদ্ধ চেতনানাশক ঔষুধ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

ডুমুরিয়ায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি  উদ্ধার

Update Time : ১১:২২:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

খুলনার ডুমুরিয়ার বাস স্ট্যান্ডে থেকে অজ্ঞাত নামা এক ব্যক্তি কে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় জনসাধারণ। জানা গেছে সাতক্ষীরা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস খুলনায় যাওয়ার পথে তাকে ডুমুরিয়া বাস স্ট্যান্ডের যাত্রী ছাউনিতে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।

 

স্থানীয় জনগণ তাকে উদ্ধার করে, ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এ ব্যক্তিকে কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করে তার সর্বস্ব লুটে নিয়েছে।

 

উল্লেখ্য দেশে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছেন। হতাহতের ঘটনাও কম-বেশি ঘটেছে। এই অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তিন ধাপে কাজ করে। প্রথম ধাপে থাকে হকাররা। নির্ধারিত হকার ডাব, শরবত বা কোমল পানীয়ের সঙ্গে অজ্ঞান করার ট্যাবলেট সুকৌশলে মিশিয়ে টার্গেটকৃত ব্যক্তিকে খাইয়ে দেয়। খাওয়ার পর থেকেই তাকে অনুসরণ করতে থাকে অজ্ঞান পার্টির দ্বিতীয় ধাপের সদস্যরা। আর তৃতীয় ধাপের সদস্যরা টার্গেট করা ব্যক্তি অচেতন হয়ে পড়লে, তার সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে
পালিয়ে যায়। হাতিয়ে নেয়া টাকা পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী জমা হয় পার্টির প্রধানের কাছে। পরে সেগুলো ভাগ-বাটোয়ারা হয়। অজ্ঞান করার কাজে ব্যবহৃত হয় আমদানি নিষিদ্ধ চেতনানাশক ঔষুধ। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।