Dhaka ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেবহাটায় ২ শিবির কর্মীকে গুলি করে হত্যা, ৬২ জনের নামে মামলা

৬২ জনের নামে মামলা

দেবহাটায় ২ শিবির কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাবেক এমপি, সাবেক এসপিসহ ৬২ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি দেবহাটা থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশনা দিয়েছেন। জানা গেছে, যৌথবাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই শিবিরকর্মী হত্যার ঘটনায় ৬২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি ৭ নম্বর আদালতে নিহত মারুফ হোসেনের ভাই মোকফুর হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, সাবেক এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কাজী মনিরুজ্জামান, সহকারী পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) মনিরুজ্জামান, দেবহাটা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারক বিশ্বাস, উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিয়াউল হক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবর রহমান, কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুল হক, আঃ খালেকের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর, তৎকালীন এস.আই শেখ আলী আকবর, এস.আই তপন কুমার সিংহ, এস.আই ইউনুস আলী গাজী, এস.আই ,তানভীর হাসান, পি. এ.এস.আই, মদন মোহন অধিকারী, এ.এস.আই, দেবাশীষ অধিকারী, এ.এস.আই, শফিকুল ইসলাম, রোকন উদ্দীন, নাঃ- ১৬৩, জাহাঙ্গীর, কং- ৬১৬,আঃ সালাম, কং- ৬৬১,জামিরুল ইসলাম, কং- ৬৪১, গৌতম সাহা, কং- ৩৫৯,মাহাফুজুল হক, কং- ৩৭৪,আঃ মজিদ, কং- ৪৯৩,আনোয়ার, কং- ৭১৭, রেজাউল, কং- ৩৯৯,ইব্রাহিম খলিল, কং- ১৮৪,আবু জাফর, কং- ১৩৭,মঞ্জুরুল, কং- ২৯৫,নূর ইসলাম, কং- ৬২৬,মেহেদী, কং- ১১৩,ইসমাইল, কং- ৪১৭, শাহনেওয়াজ, কং- ৪৭৭, আব্দুল্লাহ, কং- ৭৬৮, কামাল, কং- ৭৬৪, সৌমিত, কং- ৫৭২, মেজর আহম্মেদ হোসেন সোহেল, ডিএডি ওয়াফি হাঃ শহীদ, নাঃ মেহেদী, সামীম, সৈনিক হোসেন, সৈনিক খালিদ, কং জামাল, সৈনিক গোলজার, সুবেদার,  মঞ্জু মোল্যা, ল্যাঃ নাঃ জসিম, সিঃ, মিজান, সিঃ রেজাউল হক, মোশারফ হোসেন।
এছাড়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি , যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম, মান্নান হোসেন, সুভাস ঘোষ, আরিফ বিল্লাহ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য শহীদুল্লাহ গাজী, দেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, নির্মল কুমার মন্ডল, আকবর আলী, আছরপ গাজী ও আকিনুর গাজী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি দেবহাটায় গ্রেফতারের পর ছাত্র শিবিরের দুই নেতা মারুফ হোসেন (২৪) ও আবুল কালাম (২২) কে গুলি করে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে।
সে সময় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন থাকায় মামলা করার সাহস পায়নি। তবে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় ন্যায় বিচার পাওয়ার দাবিতে মামলা রুজু করেছেন বলে বাদী নিহত মারুফ হোসেনের ভাই মোকফুর হাসান জানান। বাদী পক্ষের আইনজীবী হাফিজুর রহমান বলেন, বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

দেবহাটায় ২ শিবির কর্মীকে গুলি করে হত্যা, ৬২ জনের নামে মামলা

Update Time : ১২:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
দেবহাটায় ২ শিবির কর্মীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে সাবেক এমপি, সাবেক এসপিসহ ৬২ জনের নামে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি দেবহাটা থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশনা দিয়েছেন। জানা গেছে, যৌথবাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই শিবিরকর্মী হত্যার ঘটনায় ৬২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার ২ সেপ্টেম্বর দুপুরে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি ৭ নম্বর আদালতে নিহত মারুফ হোসেনের ভাই মোকফুর হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, সাবেক এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কাজী মনিরুজ্জামান, সহকারী পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) মনিরুজ্জামান, দেবহাটা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারক বিশ্বাস, উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিয়াউল হক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবর রহমান, কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুল হক, আঃ খালেকের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর, তৎকালীন এস.আই শেখ আলী আকবর, এস.আই তপন কুমার সিংহ, এস.আই ইউনুস আলী গাজী, এস.আই ,তানভীর হাসান, পি. এ.এস.আই, মদন মোহন অধিকারী, এ.এস.আই, দেবাশীষ অধিকারী, এ.এস.আই, শফিকুল ইসলাম, রোকন উদ্দীন, নাঃ- ১৬৩, জাহাঙ্গীর, কং- ৬১৬,আঃ সালাম, কং- ৬৬১,জামিরুল ইসলাম, কং- ৬৪১, গৌতম সাহা, কং- ৩৫৯,মাহাফুজুল হক, কং- ৩৭৪,আঃ মজিদ, কং- ৪৯৩,আনোয়ার, কং- ৭১৭, রেজাউল, কং- ৩৯৯,ইব্রাহিম খলিল, কং- ১৮৪,আবু জাফর, কং- ১৩৭,মঞ্জুরুল, কং- ২৯৫,নূর ইসলাম, কং- ৬২৬,মেহেদী, কং- ১১৩,ইসমাইল, কং- ৪১৭, শাহনেওয়াজ, কং- ৪৭৭, আব্দুল্লাহ, কং- ৭৬৮, কামাল, কং- ৭৬৪, সৌমিত, কং- ৫৭২, মেজর আহম্মেদ হোসেন সোহেল, ডিএডি ওয়াফি হাঃ শহীদ, নাঃ মেহেদী, সামীম, সৈনিক হোসেন, সৈনিক খালিদ, কং জামাল, সৈনিক গোলজার, সুবেদার,  মঞ্জু মোল্যা, ল্যাঃ নাঃ জসিম, সিঃ, মিজান, সিঃ রেজাউল হক, মোশারফ হোসেন।
এছাড়া সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি , যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম, মান্নান হোসেন, সুভাস ঘোষ, আরিফ বিল্লাহ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম খোকন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য শহীদুল্লাহ গাজী, দেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, নির্মল কুমার মন্ডল, আকবর আলী, আছরপ গাজী ও আকিনুর গাজী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি দেবহাটায় গ্রেফতারের পর ছাত্র শিবিরের দুই নেতা মারুফ হোসেন (২৪) ও আবুল কালাম (২২) কে গুলি করে উল্লিখিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে।
সে সময় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ভিন্ন থাকায় মামলা করার সাহস পায়নি। তবে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় ন্যায় বিচার পাওয়ার দাবিতে মামলা রুজু করেছেন বলে বাদী নিহত মারুফ হোসেনের ভাই মোকফুর হাসান জানান। বাদী পক্ষের আইনজীবী হাফিজুর রহমান বলেন, বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।