Dhaka ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নওগাঁ ধামইরহাটে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন

পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন

নওগাঁর ধামইরহাটে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটেছে। পুকুুর মালিক টুটিকাটা গ্রামের বজির উদ্দিন এর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫০) এ বিষয়ে ধামইরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুকুুর মালিক আনোয়ার হোসেনের অভিযোগে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোর ছয়টার দিকে পুকুুর পাহারাদার জাহাঙ্গীর এর পিতা মফিজ উদ্দিন পার্শ্ববর্তী পুকুর দেখে বাড়ি আসার পথে আনোয়ারের পুকুর পাড়ে চৌঘাট তালপাড়া গ্রামের লেদু পাহানের ছেলে জগেন পাহান (৫২) কে বালতি সহ দেখতে পায়, বালতি সহ এত ভোর সময়ে পুকুুর পাড়ে জগেন পাহান কেন এমন জিজ্ঞাসাবাদ মফিজ উদ্দিন করলে জগেন পাহান কোন সদুত্তর না দিয়ে হন হন করে স্থান ত্যাগ করে বলে মফিজ উদ্দিন জানান।

 

পরবর্তীতে গতকাল পুকুরে বিভিন্ন মরা মাছ ভেসে উঠতে দেখা যায়। পৈত্রিক সূত্র ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত উক্ত পুকুুরে আনোয়ার হোসেন ও আরিফ উদ্দিন আর,এস ৫ নং খতিয়ানের ৮৯৪ ও ৮৯৫ দাগে ১৩২ শতক পুকুর ভোগ দখল করতে থাকা অবস্থায় জগেন পাহান, অরুণ পাহান গং বিষ প্রয়োগ করায় দেড় লক্ষ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে বলে আনোয়ার হোসেন অভিযোগে জানান।

 

তিনি আরো জানান, স্থানীয় চৌঘাট ঘাষিপুকুুর গ্রামের আদিবাসী মহৎ নেতা জগন্নাথ মন্ডল বিষয়টি গ্রাম্যভাবে মীমাংসা করার উদ্যোগ নিলেও জগেন-অরুণ গং গ্রাম্য সালিশ কে গুরুত্ব না দিয়ে বরং তারা উল্টো আমাদেরকে আরো ক্ষতি এবং পুকুুড় থেকে উচ্ছেদ করবে বলে হুমকি দেয়। আদিবাসী মহৎ জগন্নাথ মন্ডলকে মুঠো ফোনে ০১৭৪৩-০১১৬৯৬ নম্বরে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষ প্রয়োগের ঘটনাটি জানাজানি হয়েছে এবং গ্রাম্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছেন বলে স্বীকার করেন।

 

বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের বিষয়ে অভিযুক্ত অরুণ পাহান কে মুঠো ফোনে ০১৭৩৭৮০৫১৫১ নম্বরে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এবং জগেন পাহান সহ কেউই বিষ প্রয়োগ করেননি এবং আনোয়ার হোসেন ও আরিফ উদ্দিন জোরপূর্বক পুকুরে মাছ ছেড়ে দিয়ে চাষ করে বলে জানান। তবে কি কাগজের মূলে অরুন ও জগেন পাহান গং পুকুুরের দাবী করেন জানতে চাইলে অরুন পাহান তার সদুত্তর দিতে ব্যার্থ হন। জগেন পাহান, অরুণ পাহান সহ আরও অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের লালু পাহানের ছেলে ছবিয়া পাহান, শ্যামা পাহানের ছেলে শিবু পাহান এবং লবিন পাহানের ছেলে কৃষ্ণ পাহান।

 

লিখিত অভিযোগের বিষয় ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাইসুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

নওগাঁ ধামইরহাটে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন

Update Time : ০২:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নওগাঁর ধামইরহাটে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের ঘটনা ঘটেছে। পুকুুর মালিক টুটিকাটা গ্রামের বজির উদ্দিন এর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৫০) এ বিষয়ে ধামইরহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। পুকুুর মালিক আনোয়ার হোসেনের অভিযোগে জানা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ভোর ছয়টার দিকে পুকুুর পাহারাদার জাহাঙ্গীর এর পিতা মফিজ উদ্দিন পার্শ্ববর্তী পুকুর দেখে বাড়ি আসার পথে আনোয়ারের পুকুর পাড়ে চৌঘাট তালপাড়া গ্রামের লেদু পাহানের ছেলে জগেন পাহান (৫২) কে বালতি সহ দেখতে পায়, বালতি সহ এত ভোর সময়ে পুকুুর পাড়ে জগেন পাহান কেন এমন জিজ্ঞাসাবাদ মফিজ উদ্দিন করলে জগেন পাহান কোন সদুত্তর না দিয়ে হন হন করে স্থান ত্যাগ করে বলে মফিজ উদ্দিন জানান।

 

পরবর্তীতে গতকাল পুকুরে বিভিন্ন মরা মাছ ভেসে উঠতে দেখা যায়। পৈত্রিক সূত্র ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত উক্ত পুকুুরে আনোয়ার হোসেন ও আরিফ উদ্দিন আর,এস ৫ নং খতিয়ানের ৮৯৪ ও ৮৯৫ দাগে ১৩২ শতক পুকুর ভোগ দখল করতে থাকা অবস্থায় জগেন পাহান, অরুণ পাহান গং বিষ প্রয়োগ করায় দেড় লক্ষ টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে বলে আনোয়ার হোসেন অভিযোগে জানান।

 

তিনি আরো জানান, স্থানীয় চৌঘাট ঘাষিপুকুুর গ্রামের আদিবাসী মহৎ নেতা জগন্নাথ মন্ডল বিষয়টি গ্রাম্যভাবে মীমাংসা করার উদ্যোগ নিলেও জগেন-অরুণ গং গ্রাম্য সালিশ কে গুরুত্ব না দিয়ে বরং তারা উল্টো আমাদেরকে আরো ক্ষতি এবং পুকুুড় থেকে উচ্ছেদ করবে বলে হুমকি দেয়। আদিবাসী মহৎ জগন্নাথ মন্ডলকে মুঠো ফোনে ০১৭৪৩-০১১৬৯৬ নম্বরে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষ প্রয়োগের ঘটনাটি জানাজানি হয়েছে এবং গ্রাম্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করেছেন বলে স্বীকার করেন।

 

বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের বিষয়ে অভিযুক্ত অরুণ পাহান কে মুঠো ফোনে ০১৭৩৭৮০৫১৫১ নম্বরে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এবং জগেন পাহান সহ কেউই বিষ প্রয়োগ করেননি এবং আনোয়ার হোসেন ও আরিফ উদ্দিন জোরপূর্বক পুকুরে মাছ ছেড়ে দিয়ে চাষ করে বলে জানান। তবে কি কাগজের মূলে অরুন ও জগেন পাহান গং পুকুুরের দাবী করেন জানতে চাইলে অরুন পাহান তার সদুত্তর দিতে ব্যার্থ হন। জগেন পাহান, অরুণ পাহান সহ আরও অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের লালু পাহানের ছেলে ছবিয়া পাহান, শ্যামা পাহানের ছেলে শিবু পাহান এবং লবিন পাহানের ছেলে কৃষ্ণ পাহান।

 

লিখিত অভিযোগের বিষয় ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাইসুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হব।