Dhaka ১১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্দিশিবির থেকে পালানো ৪১ রোহিঙ্গাকে ধরলো মালয়েশিয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৩৪৮ Time View

বিদেশ :  মালয়েশিয়ায় একটি বন্দিশিবির থেকে শতাধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। একটি দাঙ্গার পরে এই ঘটনা ঘটে। তবে তাদের মধ্যে থেকে অন্তত ৪১ জনকে পুনরায় ধরতে সক্ষম হয়েছে মালয়েশিয়ার পুলিশ। তাদেরকে ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মূলত গত বৃহস্পতিবার একটি দাঙ্গার পর মালয়েশিয়ার বন্দিশিবির থেকে ১১৫ রোহিঙ্গা শরণার্থী পালায়। তাদের সবাই পুরুষ। মিয়ানমারে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে মুসলিম দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে রোহিঙ্গারা, যা এখনো অব্যহত রয়েছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া রোহিঙ্গাদের অন্যতম গন্তব্য। এসব রোহিঙ্গারা অনেক সময় সমুদ্রপথে ঝুঁকি নিয়ে মালয়েশিয়ায় যায়। আবার অনেক সময় থাইল্যান্ড সীমান্ত দিয়েও যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে অবৈধ পথে যাওয়ার পর তাদেরকে অনেক সবয় বন্দিশিবিরে রাখা হয়। তবে বিভিন্ন অধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের যে পরিবেশে রাখা হয় তা যথাযথ নয়। ২০২৩ সালে সাগরে অন্তত ৫৬৯ রোহিঙ্গা মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন, যা ২০১৪ সালের পর সর্বোচ্চ। মূলত দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে ভ্রমণ করার সময় দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়। বলা হয়েছে, গত বছর যারা ঝুঁকিপূর্ণ পথে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছে তাদের প্রতি আটজনে একজন হয় মারা গেছেন না হয় নিখোঁজ হয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

বন্দিশিবির থেকে পালানো ৪১ রোহিঙ্গাকে ধরলো মালয়েশিয়া

Update Time : ১১:৫৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিদেশ :  মালয়েশিয়ায় একটি বন্দিশিবির থেকে শতাধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। একটি দাঙ্গার পরে এই ঘটনা ঘটে। তবে তাদের মধ্যে থেকে অন্তত ৪১ জনকে পুনরায় ধরতে সক্ষম হয়েছে মালয়েশিয়ার পুলিশ। তাদেরকে ক্লান্ত ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মূলত গত বৃহস্পতিবার একটি দাঙ্গার পর মালয়েশিয়ার বন্দিশিবির থেকে ১১৫ রোহিঙ্গা শরণার্থী পালায়। তাদের সবাই পুরুষ। মিয়ানমারে হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়ে মুসলিম দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে রোহিঙ্গারা, যা এখনো অব্যহত রয়েছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া রোহিঙ্গাদের অন্যতম গন্তব্য। এসব রোহিঙ্গারা অনেক সময় সমুদ্রপথে ঝুঁকি নিয়ে মালয়েশিয়ায় যায়। আবার অনেক সময় থাইল্যান্ড সীমান্ত দিয়েও যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে অবৈধ পথে যাওয়ার পর তাদেরকে অনেক সবয় বন্দিশিবিরে রাখা হয়। তবে বিভিন্ন অধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের যে পরিবেশে রাখা হয় তা যথাযথ নয়। ২০২৩ সালে সাগরে অন্তত ৫৬৯ রোহিঙ্গা মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন, যা ২০১৪ সালের পর সর্বোচ্চ। মূলত দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পথে ভ্রমণ করার সময় দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়। বলা হয়েছে, গত বছর যারা ঝুঁকিপূর্ণ পথে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছে তাদের প্রতি আটজনে একজন হয় মারা গেছেন না হয় নিখোঁজ হয়েছেন।