আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (অস্ট্রিয়া), আমেরিকান আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়-বাংলাদেশ এবং কোরিয়া পারমাণবিক শক্তি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বিস্তৃত। বিকিরণ ও পারমাণবিক পদার্থ বিজ্ঞানে গবেষণা এবং উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য অধ্যাপক খন্দকার, 2023 সালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির প্রবাসী ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি 2018 সাল থেকে সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও 2012 সাল থেকে ফিজিক্যাল অ্যান্ড কেমিক্যাল সায়েন্সেস (রিকেন, জাপান) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ রেডিওলজিকাল সায়েন্সেস (জাপান)-এ ভিজিটিং বিজ্ঞানী হিসেবে গবেষণায় রত আছেন । আজ পর্যন্ত তিনি সর্বমোট ৭৮৩ টি আর্টিকেল স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নালে প্রকাশ করেছেন। এ সকল আর্টিকেল গুলি ফেলো গবেষকগণের প্রকাশনায় সর্বমোট ২৩৪৮৭ বার উদ্ধৃত হয়েছে। উনার বর্তমান এইচ-ইনডেক্স ৭০, এবং আই-10 ইনডেক্স ৪৮৭, যা তাকে 'পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি' বিভাগে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের মধ্যে শীর্ষ 1% এ রেখেছে।
এলসভিআর দ্বারা প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ রেডিয়েশন ফিজিক্স এবং কেমিস্ট্রি জার্নাল, সায়েন্টিফিক রিপোর্টস (নেচার পাবলিশার), ইত্যাদি সহ বিভিন্ন জার্নালের সম্পাদক হিসাবে তাঁর ভূমিকায় এবং 15 জনেরও অধিক পিএইচডি প্রার্থীদের সফল তত্ত্বাবধান অধ্যাপক খন্দকারের একাডেমিক নেতৃত্বের স্পষ্ট প্রমাণস্বরূপ । তিনি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা কর্তৃক প্রণীত গবেষণা প্রজেক্ট 'থেরানোস্টিক রেডিওনিউক্লাইড উৎপাদন এবং ব্যবহার' এর প্রধান বৈজ্ঞানিক তদন্তকারী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, যা একাডেমিক পরামর্শদাতা এবং গবেষণা নেতৃত্বের প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে। বিশ্ব সায়েন্টিফিক কমিউনিটিতে অধ্যাপক খন্দকারের তাৎপর্যপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ, এলসভিআর পাবলিশার পরপর চার বছরের জন্যে তাকে one of the মোস্ট ভেলুয়েবল রিভিউআর হিসেবে পুরস্কৃত করেছেন। অধ্যাপক খন্দকারের কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার 'এক্সিলেন্স ইন রিসার্চ-2024' এবং 'এক্সিলেন্স ইন রিসার্চ-2022 (কমেন্ডেশন )' পদকে ভূষিত হন। এছাড়াও অধ্যাপক খন্দকার 2021, 2022, 2023, 2024 এবং 2025 সালের জন্য এলসেভিয়ার-স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক যৌথভাবে প্রস্তুতকৃত তালিকায় বিশ্বের প্রভাবশালী 2% শীর্ষ গবেষকদের একজন হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।বাংলাদেশের এই কৃতি সন্তান শিক্ষার মান উন্নয়নে সারা বিশ্বে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
""বি:দ্র: এই সাইটের কোন লেখা বা ছবি কপি করা আইনত দন্ডণীয়""
zahidit.com