Dhaka ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এফটিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত

বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যন্ডের Ambassador H.E Mrs. Thitiporn Chirasawadi এর নেতৃত্বে ০৩ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। থাই রাষ্ট্রদূত রেনং পোর্ট-চট্টগ্রাম পোর্ট জাহাজ চলাচল বিষয়ে ইতোমধ্যে সম্পাদিত MoU বাস্তবায়নের উপর আলোকপাত করেন। বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এফটিএ স্বাক্ষরের বিষয়ে সরকারী উচ্চ পর্যায়ে তিনি আলোচনা শুরু করার অনুরোধ করেন। আগামী এপ্রিলে রেনং পোর্ট থেকে চট্টগ্রাম পোর্টে প্রথম শিপমেন্ট চালু হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চেয়ারম্যান, চবক দুই দেশের মধ্যে কি কি পণ্য আমদানী-রপ্তানী করা যায় তা নিয়ে বাজার যাচাইয়ের বিষয়ে সভায় আলোচনা করেন। এসময় উভয় দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর ট্রেড সম্প্রসারনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

 

আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার উপর একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করা হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সরেজমিনে পরির্দশন করেন এবং বন্দরের সার্বিক অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

mdmusle uddin

rt5dyrtyrtyt

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এফটিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত

Update Time : ১১:৩৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যন্ডের Ambassador H.E Mrs. Thitiporn Chirasawadi এর নেতৃত্বে ০৩ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। থাই রাষ্ট্রদূত রেনং পোর্ট-চট্টগ্রাম পোর্ট জাহাজ চলাচল বিষয়ে ইতোমধ্যে সম্পাদিত MoU বাস্তবায়নের উপর আলোকপাত করেন। বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এফটিএ স্বাক্ষরের বিষয়ে সরকারী উচ্চ পর্যায়ে তিনি আলোচনা শুরু করার অনুরোধ করেন। আগামী এপ্রিলে রেনং পোর্ট থেকে চট্টগ্রাম পোর্টে প্রথম শিপমেন্ট চালু হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চেয়ারম্যান, চবক দুই দেশের মধ্যে কি কি পণ্য আমদানী-রপ্তানী করা যায় তা নিয়ে বাজার যাচাইয়ের বিষয়ে সভায় আলোচনা করেন। এসময় উভয় দেশের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সফর ট্রেড সম্প্রসারনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

 

আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার উপর একটি প্রেজেন্টেশন প্রদান করা হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম সরেজমিনে পরির্দশন করেন এবং বন্দরের সার্বিক অগ্রগতি ও কর্মদক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।