Dhaka ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচুর পাটের আমদানি, ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকরা

বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচুর পাটের আমদানি

বগুড়ার সোনাতলার হাট-বাজারে নতুন পাটের আমদানি শুরু হয়েছে। এবছর পাটের ভালো দাম পেয়ে কৃষকও খুশি।
উপজেলার সৈয়দ আহম্মদ কলেজ হাট, করমজা, পাকুল্লা, তেকানীচুকাইনগর, বালুয়া ও হরিখালী হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রচুর নতুন পাটের আমদানি। প্রতি মণ তোষা পাট বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার থেকে ৩২শ’ টাকা দরে। আবার দেশি জাতের পাট প্রতি মণ ২৮শ’ থেকে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এই অর্থকরী ফসল বিক্রি করে কৃষক নগদ টাকা ঘুরে তুলতে পারছেন। এবার চরাঞ্চলে পাটের চাষ বেশি হয়েছে। পূর্ব করমজা গ্রামের শামছুল হক, পাকুল্লা এলাকার বেলাল মাস্টার, তেকানীচুকাইনগর এলাকার আশরাফ উদ্দিন আকন্দ বলেন, চলতি মৌসুমের প্রথম দিকে পানি সংকটের কারণে পাট পঁচাতে কিছুটা সমস্যা হলেও বর্তমানে বৃষ্টি হওয়ায় আর সমস্যা হচ্ছে না। হাটগুলোতে পাটের দামও বেশ ভালো।
উপজেলা কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলায় প্রায় এক হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৫০ হেক্টর বেশি। এই কার্যালয়ের কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, চলতি বছর এ উপজেলায় কৃষক রবি-১, মহারাষ্ট্র, বঙ্গবীর, সম্রাট, তোষা ও দেশি জাতের পাট চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ মণ ফলন পাওয়া যাচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচুর পাটের আমদানি, ভালো দাম পাওয়ায় খুশি কৃষকরা

Update Time : ১১:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
বগুড়ার সোনাতলার হাট-বাজারে নতুন পাটের আমদানি শুরু হয়েছে। এবছর পাটের ভালো দাম পেয়ে কৃষকও খুশি।
উপজেলার সৈয়দ আহম্মদ কলেজ হাট, করমজা, পাকুল্লা, তেকানীচুকাইনগর, বালুয়া ও হরিখালী হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রচুর নতুন পাটের আমদানি। প্রতি মণ তোষা পাট বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার থেকে ৩২শ’ টাকা দরে। আবার দেশি জাতের পাট প্রতি মণ ২৮শ’ থেকে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এই অর্থকরী ফসল বিক্রি করে কৃষক নগদ টাকা ঘুরে তুলতে পারছেন। এবার চরাঞ্চলে পাটের চাষ বেশি হয়েছে। পূর্ব করমজা গ্রামের শামছুল হক, পাকুল্লা এলাকার বেলাল মাস্টার, তেকানীচুকাইনগর এলাকার আশরাফ উদ্দিন আকন্দ বলেন, চলতি মৌসুমের প্রথম দিকে পানি সংকটের কারণে পাট পঁচাতে কিছুটা সমস্যা হলেও বর্তমানে বৃষ্টি হওয়ায় আর সমস্যা হচ্ছে না। হাটগুলোতে পাটের দামও বেশ ভালো।
উপজেলা কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এ উপজেলায় প্রায় এক হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৫০ হেক্টর বেশি। এই কার্যালয়ের কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, চলতি বছর এ উপজেলায় কৃষক রবি-১, মহারাষ্ট্র, বঙ্গবীর, সম্রাট, তোষা ও দেশি জাতের পাট চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে ১০ থেকে ১২ মণ ফলন পাওয়া যাচ্ছে।