Dhaka ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রক্ত দেওয়া যাবে কি রোজা রেখে ?

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪
  • ২৯২ Time View

ধর্ম: অনেকে বলে বলে রোজা রেখে রক্ত দেওয়া যায় না। কিন্তু মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে অনেক সময় তাৎক্ষণিক রক্ত দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে রোজা রেখে রক্তদান করার কোন কঠোরভাবে নিষেধ নেই। রক্ত দান নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। রক্ত দেওয়ার ফলে কারও জীবন বেঁচে যেতে পারে। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে যে ব্যক্তি কোনও মানুষের জীবন রক্ষা করল, সে যেন পুরো মানবজাতিকে রক্ষা করল। রোজা ভঙ্গের কারণ হচ্ছে স্বাভাবিক প্রবেশ পথ দিয়ে শরীরে কিছু প্রবেশ করানো। শরীর থেকে কিছু বের হলে রোজা ভঙ্গ হয় না। তাই রক্ত দিলে রোজা ভঙ্গ হবে না। আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সাহাবি ইকরিমা (রা.) বলেন, নবী কারিম (সা.) হজের জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় শরীর থেকে শিঙ্গার মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন এবং রোজা অবস্থায়ও শরীর থেকে শিঙ্গার মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ১৯৩৮; মুসলিম, হাদিস : ১১০৬; আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৭২) তাই রোজা রেখে অসুখের জন্য টেস্ট বা কোনও রোগীকে দেওয়ার জন্য রক্ত দিলে, রোজার ক্ষতি হবে না। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে— কেউ যদি শারীরিকভাবে এমন দুর্বল হয় যে, রক্ত দিলে তিনি রোজা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলবে, তাহলে তার জন্য রক্ত দেওয়া মাকরুহ। (আহসানুল ফাতাওয়া : ০৪/৪৩৫)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

রক্ত দেওয়া যাবে কি রোজা রেখে ?

Update Time : ১০:১৮:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

ধর্ম: অনেকে বলে বলে রোজা রেখে রক্ত দেওয়া যায় না। কিন্তু মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে অনেক সময় তাৎক্ষণিক রক্ত দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে রোজা রেখে রক্তদান করার কোন কঠোরভাবে নিষেধ নেই। রক্ত দান নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। রক্ত দেওয়ার ফলে কারও জীবন বেঁচে যেতে পারে। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে যে ব্যক্তি কোনও মানুষের জীবন রক্ষা করল, সে যেন পুরো মানবজাতিকে রক্ষা করল। রোজা ভঙ্গের কারণ হচ্ছে স্বাভাবিক প্রবেশ পথ দিয়ে শরীরে কিছু প্রবেশ করানো। শরীর থেকে কিছু বের হলে রোজা ভঙ্গ হয় না। তাই রক্ত দিলে রোজা ভঙ্গ হবে না। আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সাহাবি ইকরিমা (রা.) বলেন, নবী কারিম (সা.) হজের জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় শরীর থেকে শিঙ্গার মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন এবং রোজা অবস্থায়ও শরীর থেকে শিঙ্গার মাধ্যমে রক্ত বের করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ১৯৩৮; মুসলিম, হাদিস : ১১০৬; আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৭২) তাই রোজা রেখে অসুখের জন্য টেস্ট বা কোনও রোগীকে দেওয়ার জন্য রক্ত দিলে, রোজার ক্ষতি হবে না। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে— কেউ যদি শারীরিকভাবে এমন দুর্বল হয় যে, রক্ত দিলে তিনি রোজা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলবে, তাহলে তার জন্য রক্ত দেওয়া মাকরুহ। (আহসানুল ফাতাওয়া : ০৪/৪৩৫)