Dhaka ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে প্রধান শিক্ষকের আচরনে সহকারি শিক্ষিকা অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

শিক্ষিকা অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক এর রুঢ় ব্যবহারে সহকারী শিক্ষিকা শান্তি রানী স্কুলেই অজ্ঞান হয়ে যায়। সাথে সাথে তার স্বহকর্মীরা তাকে শ্যামনগর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৯ এপ্রিল সকাল ১০ ঘটিকার।

 

এ ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী অশোক কুমার গায়েন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় প্রধান শিক্ষককে বিবাদী করে শ্যামনগর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষিকা শান্তি রানী গত ২৮ এপ্রিল ব্যাংক ঋণের কাগজপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট গেলে তিনি স্বাক্ষর না করায় ঐদিন রাতে শিক্ষিকা ও তার স্বামী সাতক্ষীরা ৪ জাতীয় সংসদ সদস্য এস এম আতাউল হক দোলন মহোদয় কে বিষয়টি জানালে, তিনি প্রধান শিক্ষককে কে স্বাক্ষর করার জন্য মোবাইল ফোনে বলে দেন।

 

গত ২৯ এপ্রিল সহকারি শিক্ষিকা পুনরায় স্বাক্ষর করানোর জন্য স্কুলে যান। প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষর করতে করতে রাগান্বিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ হুমকি ধামকি দেন। এ সময় শিক্ষিকা শান্তি রানী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বর্তমান তিনি শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন শিক্ষিকা হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ডক্টর মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, আমার নিকটে শিক্ষিকা শান্তি রানী ব্যাংক লোনের কাগজে স্বাক্ষর নিতে আশায় আমি স্বাক্ষর দেয়ার পর উনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমি ওনাকে হাসপাতলে দেখেও এসেছি। তবে তার সাথে অশালীন ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেন।

 

এ ঘটনায় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজিবুল আলম এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি জানিনা তবে খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

শ্যামনগরে প্রধান শিক্ষকের আচরনে সহকারি শিক্ষিকা অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

Update Time : ০২:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক এর রুঢ় ব্যবহারে সহকারী শিক্ষিকা শান্তি রানী স্কুলেই অজ্ঞান হয়ে যায়। সাথে সাথে তার স্বহকর্মীরা তাকে শ্যামনগর সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৯ এপ্রিল সকাল ১০ ঘটিকার।

 

এ ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী অশোক কুমার গায়েন বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় প্রধান শিক্ষককে বিবাদী করে শ্যামনগর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষিকা শান্তি রানী গত ২৮ এপ্রিল ব্যাংক ঋণের কাগজপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট গেলে তিনি স্বাক্ষর না করায় ঐদিন রাতে শিক্ষিকা ও তার স্বামী সাতক্ষীরা ৪ জাতীয় সংসদ সদস্য এস এম আতাউল হক দোলন মহোদয় কে বিষয়টি জানালে, তিনি প্রধান শিক্ষককে কে স্বাক্ষর করার জন্য মোবাইল ফোনে বলে দেন।

 

গত ২৯ এপ্রিল সহকারি শিক্ষিকা পুনরায় স্বাক্ষর করানোর জন্য স্কুলে যান। প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষর করতে করতে রাগান্বিত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ হুমকি ধামকি দেন। এ সময় শিক্ষিকা শান্তি রানী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বর্তমান তিনি শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার বলেন শিক্ষিকা হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ডক্টর মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান জানান, আমার নিকটে শিক্ষিকা শান্তি রানী ব্যাংক লোনের কাগজে স্বাক্ষর নিতে আশায় আমি স্বাক্ষর দেয়ার পর উনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমি ওনাকে হাসপাতলে দেখেও এসেছি। তবে তার সাথে অশালীন ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেন।

 

এ ঘটনায় অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজিবুল আলম এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি জানিনা তবে খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।