Dhaka ১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে পানির ড্রাম দেওয়ার নামে আইডি কার্ড টাকা সহ প্রতারক আটক

শ্যামনগরে পানির ড্রাম দেওয়ার নামে আইডি কার্ড টাকা সহ প্রতারক আটক

সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের অধীনে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে  ড্রাম বিতরণ করা কাজ চলমান। এই সুযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস.এম আতাউল হক দোলন ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদ-উজ-জামান সাঈদ এর নাম ভাঙিয়ে সদর উপজেলার নকিপুর গ্রামের জহির উদ্দিন (৪০)নামে এক প্রতারক গ্রামে গিয়ে মানুষের কাছ থেকে এন,আইডি কার্ড সাথে নগদ তিনশত টাকা নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটকে রেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
জহির পুলিশের কাছে শিকার করেন, সে গ্রামে গ্রামে গিয়ে এক থেকে ডের শত মানুষের কাছ থেকে ড্রাম দেওয়ার নাম করে ৩শত টাকা আর আইডি কার্ড নিয়ে আসে। আর বলে আসে ড্রাম পেলে আর ২ হাজার টাকা করে দিতে হবে। জহির আরও বলেন আমার আগের তোলা আইডি কার্ড ও টাকা হায়বাতপুর (ফুলতলা) গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে শ্যামনগর প্রতিবন্ধী কমিটির সভাপতি মন্টুর কাছে জমা দেয়। মন্টু বাড়িতে আসলে বাকি টাকা ও আইডি কার্ড ফেরত দেবে বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। ছাড়া পেয়ে ১৫ টা আইডি কার্ড ও ২৬ শত টাকা ফেরত দেয়। আর বাকি টাকা ও আইডি কার্ড ২৫ তারিখে ফেরত দেবে।
শ্যামনগর গুচ্ছ গ্রামের সালমা পারভীন ও সাবিনা পারভীন, আব্দুল মজিদ সহ কয়েক জন  প্রতারক জহিরের কাছ থেকে টাকা ফেরত পেয়ে এমপি আতাউল হক দোলন ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ কে ধন্যবাদ জানান।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আইডি কার্ড ও টাকা ফেরত দেবে এবং এমন কাজ আর কখনো করবে না এমন শর্তে মুচলেকা নিয়ে জহিরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

শ্যামনগরে পানির ড্রাম দেওয়ার নামে আইডি কার্ড টাকা সহ প্রতারক আটক

Update Time : ০৪:২৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের অধীনে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে  ড্রাম বিতরণ করা কাজ চলমান। এই সুযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস.এম আতাউল হক দোলন ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রভাষক সাঈদ-উজ-জামান সাঈদ এর নাম ভাঙিয়ে সদর উপজেলার নকিপুর গ্রামের জহির উদ্দিন (৪০)নামে এক প্রতারক গ্রামে গিয়ে মানুষের কাছ থেকে এন,আইডি কার্ড সাথে নগদ তিনশত টাকা নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটকে রেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
জহির পুলিশের কাছে শিকার করেন, সে গ্রামে গ্রামে গিয়ে এক থেকে ডের শত মানুষের কাছ থেকে ড্রাম দেওয়ার নাম করে ৩শত টাকা আর আইডি কার্ড নিয়ে আসে। আর বলে আসে ড্রাম পেলে আর ২ হাজার টাকা করে দিতে হবে। জহির আরও বলেন আমার আগের তোলা আইডি কার্ড ও টাকা হায়বাতপুর (ফুলতলা) গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে শ্যামনগর প্রতিবন্ধী কমিটির সভাপতি মন্টুর কাছে জমা দেয়। মন্টু বাড়িতে আসলে বাকি টাকা ও আইডি কার্ড ফেরত দেবে বলে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়। ছাড়া পেয়ে ১৫ টা আইডি কার্ড ও ২৬ শত টাকা ফেরত দেয়। আর বাকি টাকা ও আইডি কার্ড ২৫ তারিখে ফেরত দেবে।
শ্যামনগর গুচ্ছ গ্রামের সালমা পারভীন ও সাবিনা পারভীন, আব্দুল মজিদ সহ কয়েক জন  প্রতারক জহিরের কাছ থেকে টাকা ফেরত পেয়ে এমপি আতাউল হক দোলন ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ কে ধন্যবাদ জানান।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আইডি কার্ড ও টাকা ফেরত দেবে এবং এমন কাজ আর কখনো করবে না এমন শর্তে মুচলেকা নিয়ে জহিরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।