Dhaka ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নামজারি জটলার ক ল ঙ্ক থেকে মুক্ত হচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস

ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস

দীর্ঘদিনের নামজারি জটলার কলঙ্ক থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস। আগামী মাসের মধ্যে সকল গ্রাহক কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবেদনের পর ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে নামজারির কেস নিষ্পত্তি হবে।

 

জানা যায়, ২০ নভেম্বর বুধবার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন তিনি গোল ঘরে বসে নামজারির আবেদন শুনানি করেন বর্তমানে নামজারির কেস নিষ্পত্তির সংখ্যা প্রায় ১শত ৬৫ জন । এরমধ্য থেকে মঞ্জর হয়েছে ১১৫টি। মিস কেসের নিষ্পত্তি হয়েছে ৫০টি আবেদন। নামজারির আবেদন খারিজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে তথ্য নিলে হিন্দু সম্পত্তি স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পাবেন। অধিকাংশ দলিলেই মাতার অংশ না রেখেই পুত্ররা সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন।

 

জমি ক্রয় করা একাধিক দাগে কিন্তু ভোগদখলে থাকা একদাগে নামজারির আবেদন করা। মূল কাগজ পত্র দেখানো সহ শুনানিতে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। অনেকে অভিযোগ করেন মোবাইলে ম্যাসেজ না পাওয়া নামজারি না
করার। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাদেরকে দিয়ে আবেদন করানো হয়েছিল বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেই সকল লোকদের মোবাইল নাম্বার দেয়া ছাড়াও অনেকে সেই সিম ব্যবহার করছেন না। এছাড়া নামজারি না করার কারণ উল্লেখ করে বার্তা পাঠানোর তথ্য মিলেছে।

 

গত ২০ নভেম্বর সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, নোটিশ করে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে ১৬৫ জনকে। কিন্তু উপস্থিত হয়েছেন ১১৫ জন। কথা বললে শাহিপুর এলাকার নয়ন (৫৩) বলেন, আমি অনেক দিন ঘুরেছি। এই স্যার আসার পর বাড়ি থেকে ডেকে এনে নাম সংশোধন করা সহ নামজারি করে দিয়েছেন। ইতিপূর্বে রেওয়াজ ছিল টাকা ও দালাল ছাড়া নামজারি হয় না।  ভূমি অফিসে গ্রাহক ছাড়া অন্য কাউকে দেখা যায়নি। এমনকি শুনানি করতে আসা উপস্থিত সকলেই ভূমি অফিসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করাসহ ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি থাকে তার জন্য আশবাদ ব্যাক্ত করেন।

 

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন বলেন, আমি চাই প্রকৃত গ্রাহক এসে হাজির হয়ে তার কাগজ পত্র দেখিয়ে নামজারি করে নিয়ে যাক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী মাসের মধ্যে নামজারির জটলা
কেটে স্বাভাবিক হয়ে যাবে তখন আর সমস্যা হবে না।

 

এবিষয়ে এডিসি(রাজস্ব) মুকুল কুমার মিত্র বলেন, আমরা নির্দেশনা দিয়েছি আইনের ভিতরে থেকে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি করার জন্য। যাতে গ্রাহক তার সঠিক সেবা পায় কোন অবস্থাতেই কেউ যেন হয়রানি না হয়। আশা করছি আগামী মাসে বিধি মোতাবেক ২৮ দিনের মধ্যে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

নামজারি জটলার ক ল ঙ্ক থেকে মুক্ত হচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস

Update Time : ১০:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

দীর্ঘদিনের নামজারি জটলার কলঙ্ক থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছে ডুমুরিয়ার ভূমি অফিস। আগামী মাসের মধ্যে সকল গ্রাহক কাগজপত্র ঠিক থাকলে আবেদনের পর ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে নামজারির কেস নিষ্পত্তি হবে।

 

জানা যায়, ২০ নভেম্বর বুধবার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন তিনি গোল ঘরে বসে নামজারির আবেদন শুনানি করেন বর্তমানে নামজারির কেস নিষ্পত্তির সংখ্যা প্রায় ১শত ৬৫ জন । এরমধ্য থেকে মঞ্জর হয়েছে ১১৫টি। মিস কেসের নিষ্পত্তি হয়েছে ৫০টি আবেদন। নামজারির আবেদন খারিজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে তথ্য নিলে হিন্দু সম্পত্তি স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ পাবেন। অধিকাংশ দলিলেই মাতার অংশ না রেখেই পুত্ররা সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন।

 

জমি ক্রয় করা একাধিক দাগে কিন্তু ভোগদখলে থাকা একদাগে নামজারির আবেদন করা। মূল কাগজ পত্র দেখানো সহ শুনানিতে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। অনেকে অভিযোগ করেন মোবাইলে ম্যাসেজ না পাওয়া নামজারি না
করার। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাদেরকে দিয়ে আবেদন করানো হয়েছিল বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেই সকল লোকদের মোবাইল নাম্বার দেয়া ছাড়াও অনেকে সেই সিম ব্যবহার করছেন না। এছাড়া নামজারি না করার কারণ উল্লেখ করে বার্তা পাঠানোর তথ্য মিলেছে।

 

গত ২০ নভেম্বর সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, নোটিশ করে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে ১৬৫ জনকে। কিন্তু উপস্থিত হয়েছেন ১১৫ জন। কথা বললে শাহিপুর এলাকার নয়ন (৫৩) বলেন, আমি অনেক দিন ঘুরেছি। এই স্যার আসার পর বাড়ি থেকে ডেকে এনে নাম সংশোধন করা সহ নামজারি করে দিয়েছেন। ইতিপূর্বে রেওয়াজ ছিল টাকা ও দালাল ছাড়া নামজারি হয় না।  ভূমি অফিসে গ্রাহক ছাড়া অন্য কাউকে দেখা যায়নি। এমনকি শুনানি করতে আসা উপস্থিত সকলেই ভূমি অফিসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করাসহ ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতি থাকে তার জন্য আশবাদ ব্যাক্ত করেন।

 

বিষয়টি নিয়ে কথা বললে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত হোসেন বলেন, আমি চাই প্রকৃত গ্রাহক এসে হাজির হয়ে তার কাগজ পত্র দেখিয়ে নামজারি করে নিয়ে যাক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী মাসের মধ্যে নামজারির জটলা
কেটে স্বাভাবিক হয়ে যাবে তখন আর সমস্যা হবে না।

 

এবিষয়ে এডিসি(রাজস্ব) মুকুল কুমার মিত্র বলেন, আমরা নির্দেশনা দিয়েছি আইনের ভিতরে থেকে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি করার জন্য। যাতে গ্রাহক তার সঠিক সেবা পায় কোন অবস্থাতেই কেউ যেন হয়রানি না হয়। আশা করছি আগামী মাসে বিধি মোতাবেক ২৮ দিনের মধ্যে নামজারি কেসের নিষ্পত্তি হবে।