Dhaka ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রথমবারের মতো সাতক্ষীরা মহিলা কলেজে ছাত্রদলের কমিটি গঠন!

১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো গঠিত হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আনুষ্ঠানিক কমিটি। কলেজটির রাজনৈতিক পরিমন্ডলে এটিই ছাত্রদলের প্রথম সাংগঠনিক উপস্থিতি, যেটি দলীয় রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

 

ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত মোট ৪৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব কমিটি ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

 

এর আগে, কমিটিগুলো ১৭ জুন এক পত্রে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির-এর যৌথ স্বাক্ষরে অনুমোদন করা হয়।

 

নবগঠিত সরকারি মহিলা কলেজের আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আইরিন আমিন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ফারহানা ইয়াসমিন। সদস্য সচিব হয়েছেন করিমন নেছা শান্তা। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সোহানা সাবরিনা, আশুরা আক্তার আখি ও আফরিন সুলতানা।

 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাতক্ষীরার রাজপথে তাদের সাহসী ও বলিষ্ঠ ভূমিকার মাধ্যমে নিজেদেরকে নজরকাড়া নেতৃত্বে প্রমাণ করেছে।

 

ঐতিহাসিক মুহূর্তের অংশ হতে পেরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সদস্য সচিব করিমন নেছা শান্তা বলেন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের ইতিহাসে ছাত্রদলের প্রথম কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য এক গর্বের বিষয়। আমি মনে করি এই কমিটির মাধ্যমে আমাদের কলেজে ছাত্ররাজনীতির একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সাতক্ষীরার রাজপথে আমরা যে সাহসিকতা দেখিয়েছি, তা ছিল একটি প্রজন্মের দাবি ও প্রতিবাদের প্রতিচ্ছবি। সেই চেতনা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

 

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, বিশেষ করে সম্মানিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের লক্ষ্য হবে একটি আদর্শিক, সক্রিয় ও সংগঠিত কমিটি গঠন করা, যারা শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সর্বদা সোচ্চার থাকবে।

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

প্রথমবারের মতো সাতক্ষীরা মহিলা কলেজে ছাত্রদলের কমিটি গঠন!

Update Time : ০৮:৩৮:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো গঠিত হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আনুষ্ঠানিক কমিটি। কলেজটির রাজনৈতিক পরিমন্ডলে এটিই ছাত্রদলের প্রথম সাংগঠনিক উপস্থিতি, যেটি দলীয় রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

 

ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন পর ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত মোট ৪৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব কমিটি ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

 

এর আগে, কমিটিগুলো ১৭ জুন এক পত্রে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির-এর যৌথ স্বাক্ষরে অনুমোদন করা হয়।

 

নবগঠিত সরকারি মহিলা কলেজের আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আইরিন আমিন। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ফারহানা ইয়াসমিন। সদস্য সচিব হয়েছেন করিমন নেছা শান্তা। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সোহানা সাবরিনা, আশুরা আক্তার আখি ও আফরিন সুলতানা।

 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাতক্ষীরার রাজপথে তাদের সাহসী ও বলিষ্ঠ ভূমিকার মাধ্যমে নিজেদেরকে নজরকাড়া নেতৃত্বে প্রমাণ করেছে।

 

ঐতিহাসিক মুহূর্তের অংশ হতে পেরে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সদস্য সচিব করিমন নেছা শান্তা বলেন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের ইতিহাসে ছাত্রদলের প্রথম কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য এক গর্বের বিষয়। আমি মনে করি এই কমিটির মাধ্যমে আমাদের কলেজে ছাত্ররাজনীতির একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সাতক্ষীরার রাজপথে আমরা যে সাহসিকতা দেখিয়েছি, তা ছিল একটি প্রজন্মের দাবি ও প্রতিবাদের প্রতিচ্ছবি। সেই চেতনা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

 

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, বিশেষ করে সম্মানিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের লক্ষ্য হবে একটি আদর্শিক, সক্রিয় ও সংগঠিত কমিটি গঠন করা, যারা শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সর্বদা সোচ্চার থাকবে।