শিরোনাম :
ঘুড়ি হবি ?
জিয়া সাঈদ ঘুড়ি হবি ? উড়তে উড়তে নীল ছুঁই ছুঁই আমি তুই পাখি পাখি পাখনায় মেঘ মনে পড়ে
গল্প; রূপকথা নয়
কুহকী রাত দশটা। নন্দিনী কফিশপে একা বসেছিল। আনমনে কফির চিনিটা গোলাচ্ছিল। আজ বহু বছর এই সময়টা এখানেই কাটায় সে— যতক্ষণ
ছবি আঁকি
ডি, সি,মন্ডল মনের মাঝে কত যে রুপ ফাগুন আসছে বলে, কোথা যে যাই কোন পথে যাই এই সে ধরার তলে।
ভাগ্যের লেখা
এইচ,এম,আব্দুল লতিফ স্রষ্টার কৃপায় জন্ম নিলাম রঙিন সুন্দর দুনিয়ায়, ভাগ্যের লেখা যাবেনা খন্ডন যতই থাকি হতাশায়। সবার কথা ভেবে আমার
ঢাকার আকাশে আজ উড়ছে দিল্লির শকুন
ফয়জুল হাকিম তোমাদের কাছে প্রতিটি ঘটনাই এক একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা,দূর্ঘটনা রইসউদ্দিনের লাশ কাঁধে নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলে সাতগ্রামের মানুষ এসে
ধূলা নিয়ে খেলা করে বায়ু
মোশতাক আল মেহেদী ধূলা নিয়ে খেলা করে বায়ু তাকে ছোটবেলা মনে করে দেখি আঁকিবুকি ছায়া এলোমেলো বালক বালিকা সব চখা
জীন্দা পীর
মাহফুজ রেজা নিয়ামতের এই মাসে পূণ্যের ডালা পূর্ণ কর, গরীব দুঃখীর কথা ভাবিস নিজের ভাবিস অতঃপর। পাপের বোঝা হবে খালি
একটি ভাষণ
জিয়া সাঈদ একটি ভাষণ উদ্যানে সমুদ্রের উত্থান অতঃপর – কালো রাত লাল নদী আগুন আগুন শূন্য হাট, ভিটা ছেঁড়াখোঁড়া শাড়ি
তুমি কি রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করবে ?
ফয়জুল হাকিম রাষ্ট্রকে কেউ প্রশ্ন করে না, না,কেউ করে না। ভবন ধসে আগুনে পুড়ে গার্মেন্টস শ্রমিক মেয়েদের দেহ যখন মোমের
সত্য স্বরূপ ভালোবাসা
ডি, সি, মন্ডল ভালোবাসো হৃদয় খুলে সত্যের পথে চলো, আত্মদানে করবে সেবা সঠিক কথা বলো কর্মের তরে জী্ন ভরে উপকার








