Dhaka ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর উপায় ওষুধ ছাড়াই

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৮:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪
  • ২৮২ Time View

স্বাস্থ্য: সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য শরীরের ওপর ইউরিক অ্যাসিডের প্রভাব এবং এর ভ‚মিকা বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউরিক অ্যাসিড হলো একধরনের রাসায়নিক, যা ফিল্টার করে কিডনি থেকে অপসারণ করা হয়। কোনো কারণে কিডনি শরীরের অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড অপসারণ করতে অক্ষম হলে তার মাত্রা বেড়ে যায়। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থেকে সরাসরি প্রভাব পড়ে কিডনিতে। তাই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেই অনুযায়ী চলতে হবে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়ও। ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে গাঁট, হাঁটু, গোড়ালি, পায়ের নিচে ব্যথা হয়। এর থেকে পরে আরও সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে খেতে হবে এই খাবারগুলো-
ফাইবারজাতীয় খাবার
শাকসবজির মধ্যে ফাইবার ভরপুর। যেমন: ডাল, ফলমূল, শাকসবজি, ওটস ও বার্লি, মটরশুঁটি, শিম ও বিনজাতীয় খাবার ইত্যাদি।
কলা
কলা বেশ উপকারী ও সহজলভ্য। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে এর উপকারিতা সম্পর্কে নানা তথ্য। বিশেষ করে এটি ইউরিক অ্যাসিডের মতো সমস্যায় বেশ উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত কলা খেলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে থাকে। কারণ, কলায় থাকে প্রচুর ফাইবার। সেই সঙ্গে থাকে পটাশিয়াম যা শরীরকে সচল রাখতে কাজ করে।
আপেল
আপেল ইউরিক অ্যাসিডের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণেও বেশ কার্যকরী। আপেলে থাকে প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার যা রক্তের ইউরিক অ্যাসিড শোষণ করে নেয় সহজেই। সেই সঙ্গে এই ফলে থাকে ম্যালিক অ্যাসিড যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
টকজাতীয় খাবার
সাধারণত টকজাতীয় খাবার খেলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে থাকে। যেমন: কমলা লেবু, পাতি লেবু, মরিচ ইত্যাদি।
হলুদ
হলুদে থাকা কারকিউমিন প্রদাহ কমায়। ফলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। নিয়মিত হলুদ খেলে এ ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।
গ্রিন টি
গ্রিন টি-তে ক্যাচিন উপস্থিত যা প্রোটিন জাতীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আর এটি আমাদের ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।
বাদাম
বিশেষ ধরনের, মানে ব্রাজিলে উৎপাদিত বাদাম, আমন্ড, ম্যাকাডেমিয়া বাদাম ও আখরোটে সাধারণত পিউরিনের পরিমাণ কম থাকে, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সাহায্য করবে। ব্রাজিলে উৎপাদিত বাদামে পিউরিনের পরিমাণ মাত্র ৪০ মিলিগ্রাম। তবে রাস্তায় আমরা সচরাচর যে বাদামগুলো দেখতে পাই, ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সেগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ, প্রতি কাপে সেগুলোতে পিউরিনের পরিমাণ ৮০ মিলিগ্রাম।
অলিভ অয়েল
শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসতে অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। অলিভ অয়েলে রয়েছে প্রদাহরোধী ক্ষমতা। তাই ইউরিক অ্যাসিডের প্রদাহ থেকে বাঁচতে সবজি, সালাদ ও পাস্তাতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর উপায় ওষুধ ছাড়াই

Update Time : ০৬:৫৮:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

স্বাস্থ্য: সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য শরীরের ওপর ইউরিক অ্যাসিডের প্রভাব এবং এর ভ‚মিকা বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইউরিক অ্যাসিড হলো একধরনের রাসায়নিক, যা ফিল্টার করে কিডনি থেকে অপসারণ করা হয়। কোনো কারণে কিডনি শরীরের অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড অপসারণ করতে অক্ষম হলে তার মাত্রা বেড়ে যায়। ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থেকে সরাসরি প্রভাব পড়ে কিডনিতে। তাই এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেই অনুযায়ী চলতে হবে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়ও। ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে গাঁট, হাঁটু, গোড়ালি, পায়ের নিচে ব্যথা হয়। এর থেকে পরে আরও সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে খেতে হবে এই খাবারগুলো-
ফাইবারজাতীয় খাবার
শাকসবজির মধ্যে ফাইবার ভরপুর। যেমন: ডাল, ফলমূল, শাকসবজি, ওটস ও বার্লি, মটরশুঁটি, শিম ও বিনজাতীয় খাবার ইত্যাদি।
কলা
কলা বেশ উপকারী ও সহজলভ্য। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে এর উপকারিতা সম্পর্কে নানা তথ্য। বিশেষ করে এটি ইউরিক অ্যাসিডের মতো সমস্যায় বেশ উপকারী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত কলা খেলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে থাকে। কারণ, কলায় থাকে প্রচুর ফাইবার। সেই সঙ্গে থাকে পটাশিয়াম যা শরীরকে সচল রাখতে কাজ করে।
আপেল
আপেল ইউরিক অ্যাসিডের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণেও বেশ কার্যকরী। আপেলে থাকে প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার যা রক্তের ইউরিক অ্যাসিড শোষণ করে নেয় সহজেই। সেই সঙ্গে এই ফলে থাকে ম্যালিক অ্যাসিড যা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
টকজাতীয় খাবার
সাধারণত টকজাতীয় খাবার খেলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে থাকে। যেমন: কমলা লেবু, পাতি লেবু, মরিচ ইত্যাদি।
হলুদ
হলুদে থাকা কারকিউমিন প্রদাহ কমায়। ফলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। নিয়মিত হলুদ খেলে এ ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।
গ্রিন টি
গ্রিন টি-তে ক্যাচিন উপস্থিত যা প্রোটিন জাতীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আর এটি আমাদের ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।
বাদাম
বিশেষ ধরনের, মানে ব্রাজিলে উৎপাদিত বাদাম, আমন্ড, ম্যাকাডেমিয়া বাদাম ও আখরোটে সাধারণত পিউরিনের পরিমাণ কম থাকে, যা ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাকে স্বাভাবিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সাহায্য করবে। ব্রাজিলে উৎপাদিত বাদামে পিউরিনের পরিমাণ মাত্র ৪০ মিলিগ্রাম। তবে রাস্তায় আমরা সচরাচর যে বাদামগুলো দেখতে পাই, ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সেগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ, প্রতি কাপে সেগুলোতে পিউরিনের পরিমাণ ৮০ মিলিগ্রাম।
অলিভ অয়েল
শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসতে অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। অলিভ অয়েলে রয়েছে প্রদাহরোধী ক্ষমতা। তাই ইউরিক অ্যাসিডের প্রদাহ থেকে বাঁচতে সবজি, সালাদ ও পাস্তাতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।