Dhaka ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তালায় খাল দ’খ’ল ও নি’ষি’দ্ধ জালের বি’রু’দ্ধে প্রশাসনের অ’ভি’যা’ন

সাতক্ষীরার তালায় খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত করতে এবং মাছের প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাপক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল থেকে সাতক্ষীরার উপজেলার নওয়াপাড়া বাজার সংলগ্ন খাল ও গোপালপুর খালে এ অভিযান চালানো হয়। এতে প্রায় ২০টি স্থায়ী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

 

অভিযান পরিচালনা করেন তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. তারিক ইমাম, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

 

অভিযান চলাকালে উদ্ধার করা হয় ১০টি চায়না দুয়ারি জাল, একটি বেহুন্দি জালসহ বিভিন্ন প্রকার নিষিদ্ধ মাছ ধরার সরঞ্জাম। পরে বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে এসব জাল ও সরঞ্জাম পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এ অভিযানে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। মানুষ আশা করছে, খালগুলো আবারো প্রাণ ফিরে পাবে এবং দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে।”

 

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. তারিক ইমাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব খালে অবৈধ স্থাপনা ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র ধ্বংস হচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, “অভিযানের অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান বলেন, “জলাশয়, খাল ও নদীতে কোনো ধরনের অবৈধ দখল বা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার সহ্য করা হবে না। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ও দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

তালায় খাল দ’খ’ল ও নি’ষি’দ্ধ জালের বি’রু’দ্ধে প্রশাসনের অ’ভি’যা’ন

Update Time : ১২:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

সাতক্ষীরার তালায় খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত করতে এবং মাছের প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ব্যাপক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল থেকে সাতক্ষীরার উপজেলার নওয়াপাড়া বাজার সংলগ্ন খাল ও গোপালপুর খালে এ অভিযান চালানো হয়। এতে প্রায় ২০টি স্থায়ী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

 

অভিযান পরিচালনা করেন তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. তারিক ইমাম, তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

 

অভিযান চলাকালে উদ্ধার করা হয় ১০টি চায়না দুয়ারি জাল, একটি বেহুন্দি জালসহ বিভিন্ন প্রকার নিষিদ্ধ মাছ ধরার সরঞ্জাম। পরে বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে এসব জাল ও সরঞ্জাম পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, “এ অভিযানে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। মানুষ আশা করছে, খালগুলো আবারো প্রাণ ফিরে পাবে এবং দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে।”

 

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. তারিক ইমাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব খালে অবৈধ স্থাপনা ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র ধ্বংস হচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, “অভিযানের অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান বলেন, “জলাশয়, খাল ও নদীতে কোনো ধরনের অবৈধ দখল বা নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার সহ্য করা হবে না। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ও দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”