Dhaka ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেবহাটায় আনারুল হত্যার ঘটনায় সাবেক এমপি, পুলিশ সুপারসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হ ত্যা মামলা 

হত্যা মামলা দায়ের

সাতক্ষীরার দেবহাটায় যুবককে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ রুহুল হক, সাবেক এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২২ আগষ্ট সাতক্ষীরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী ৭নং আদালতে নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেবহাটা থানাকে এফআইআর হিসেবে গন্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল কাজী মনিরুজ্জামান, সাবেক এএসপি কালিগঞ্জ সার্কেল মনিরুজ্জামান, দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ্বাস, এসআই যথাক্রমে জিয়াউল হক, শেখ আলী আকবর, তপন কুমার সিংহ, ইউনুস আলী গাজী, পিএসআই তানভীর হাসান, এএসআই এফ এম তারেক, এএসআই মদন মোহন অধিকারী, কনস্টেবল দেবাশীষ অধিকারী, জাহাঙ্গীর, গৌতম সাহা, আনোয়ার, আব্দুল্লাহ, ইসমাইল, মাহাফুজুল হক, আবু জাফর, শহিদুল ইসলাম, রেজাউল, ইব্রাহীম, সাহজাহান আলী, আবুল হাসেম, হাদিস উদ্দিন, আঃ মজিদ, দলিল উদ্দিন, নুর ইসলাম, মনজুরুল, মেহেদী, দেবহাটা গ্রামের মৃত আজিজ মোড়লের পুত্র নজরুল ইসলাম, নাংলা গ্রামের দাউদ আলীর পুত্র মুজিবর রহমান, মৃত মজিদ গাজীর পুত্র মোমিন গাজী, সাংবাড়িয়া গ্রামের মজিবর রহমান, কামিনী বসু গ্রামের সাত্তার মোল্লার পুত্র নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, নাংলা গ্রামের এমদাদ বিশ্বাসের পুত্র মাহমুদুল হক লাভলু, ঘোনাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র সামছুর রহমান, মোবারক আলীর পুত্র মনতেজ গাজী, মোমিন গাজীর পুত্র হাবিবুল্লাহ গাজী, মৃত রশিদ বিশ্বাসের পুত্র মোস্তফা বিশ্বাস, মৃত মোকছেদ গাজীর পুত্র মাহমুদ গাজী, আঞ্জু গাজীর পুত্র রমজান গাজী, ছুটিপুর গ্রামের মৃত মাদার গাজীর পুত্র আঃ রশিদ, নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাজ আলীর পুত্র মনিরুজ্জামান মনি, আহাদ আলী গাজীর পুত্র এবাদুল গাজী, আব্দার আলীর পুত্র সিদ্দিক গাজী, মাঝের আটি গ্রামের হামিজ উদ্দীন গাজীর পুত্র আকবর আলী, মৃত নেছার উদ্দিন বিশ্বাসের পুত্র নাজমুস শাহাদাত নফর বিশ্বাস, এবাদুল ইসলামের পুত্র জারিফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর গ্রামের আফতাব উদ্দিন সরদারের পুত্র কিলার কামরুল (কেটো কামরুল) এবং দেবহাটার কোমরপুর গ্রামের মৃত মাদার সরদারের পুত্র আবু মুসা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দেবহাটার নাংলা গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র আনারুল ইসলাম নিজস্ব মৎস্য ঘেরে কাজ করছিল। এসময় উল্লেখিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আনারুল ইসলামকে পুলিশ আটকের চেষ্টা করলে তিনি জীবনের ভয়ে দৌড় দিলে পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করে।
অপরদিকে একইদিনে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি ০১ নং আদালতের বিচারক নয়ন বড়ালের আদালতে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর কর্তৃক  সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরার নবম শ্রেণীর ছাত্র আবু হানিফ ছোটন হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরসহ ২৬ জনের নামে অপর একটি মামলা দায়ের করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

দেবহাটায় আনারুল হত্যার ঘটনায় সাবেক এমপি, পুলিশ সুপারসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হ ত্যা মামলা 

Update Time : ০২:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪
সাতক্ষীরার দেবহাটায় যুবককে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ রুহুল হক, সাবেক এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২২ আগষ্ট সাতক্ষীরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী ৭নং আদালতে নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেবহাটা থানাকে এফআইআর হিসেবে গন্য করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল কাজী মনিরুজ্জামান, সাবেক এএসপি কালিগঞ্জ সার্কেল মনিরুজ্জামান, দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক বিশ্বাস, এসআই যথাক্রমে জিয়াউল হক, শেখ আলী আকবর, তপন কুমার সিংহ, ইউনুস আলী গাজী, পিএসআই তানভীর হাসান, এএসআই এফ এম তারেক, এএসআই মদন মোহন অধিকারী, কনস্টেবল দেবাশীষ অধিকারী, জাহাঙ্গীর, গৌতম সাহা, আনোয়ার, আব্দুল্লাহ, ইসমাইল, মাহাফুজুল হক, আবু জাফর, শহিদুল ইসলাম, রেজাউল, ইব্রাহীম, সাহজাহান আলী, আবুল হাসেম, হাদিস উদ্দিন, আঃ মজিদ, দলিল উদ্দিন, নুর ইসলাম, মনজুরুল, মেহেদী, দেবহাটা গ্রামের মৃত আজিজ মোড়লের পুত্র নজরুল ইসলাম, নাংলা গ্রামের দাউদ আলীর পুত্র মুজিবর রহমান, মৃত মজিদ গাজীর পুত্র মোমিন গাজী, সাংবাড়িয়া গ্রামের মজিবর রহমান, কামিনী বসু গ্রামের সাত্তার মোল্লার পুত্র নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন সাহেব আলী, নাংলা গ্রামের এমদাদ বিশ্বাসের পুত্র মাহমুদুল হক লাভলু, ঘোনাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র সামছুর রহমান, মোবারক আলীর পুত্র মনতেজ গাজী, মোমিন গাজীর পুত্র হাবিবুল্লাহ গাজী, মৃত রশিদ বিশ্বাসের পুত্র মোস্তফা বিশ্বাস, মৃত মোকছেদ গাজীর পুত্র মাহমুদ গাজী, আঞ্জু গাজীর পুত্র রমজান গাজী, ছুটিপুর গ্রামের মৃত মাদার গাজীর পুত্র আঃ রশিদ, নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাজ আলীর পুত্র মনিরুজ্জামান মনি, আহাদ আলী গাজীর পুত্র এবাদুল গাজী, আব্দার আলীর পুত্র সিদ্দিক গাজী, মাঝের আটি গ্রামের হামিজ উদ্দীন গাজীর পুত্র আকবর আলী, মৃত নেছার উদ্দিন বিশ্বাসের পুত্র নাজমুস শাহাদাত নফর বিশ্বাস, এবাদুল ইসলামের পুত্র জারিফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর গ্রামের আফতাব উদ্দিন সরদারের পুত্র কিলার কামরুল (কেটো কামরুল) এবং দেবহাটার কোমরপুর গ্রামের মৃত মাদার সরদারের পুত্র আবু মুসা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দেবহাটার নাংলা গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র আনারুল ইসলাম নিজস্ব মৎস্য ঘেরে কাজ করছিল। এসময় উল্লেখিত ব্যক্তিদের সহযোগিতায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আনারুল ইসলামকে পুলিশ আটকের চেষ্টা করলে তিনি জীবনের ভয়ে দৌড় দিলে পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করে।
অপরদিকে একইদিনে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি ০১ নং আদালতের বিচারক নয়ন বড়ালের আদালতে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীর কর্তৃক  সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরার নবম শ্রেণীর ছাত্র আবু হানিফ ছোটন হত্যার অভিযোগে সাতক্ষীরার সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবীরসহ ২৬ জনের নামে অপর একটি মামলা দায়ের করা হয়।