Dhaka ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মণিরামপুরে বিরাট রাজার ধনপোতা ঢিবির দ্বিতীয় পর্যায়ে খননের উদ্বোধন

বিরাট রাজার ধনপোতা ঢিবির খননের উদ্বোধন

যশোরের মণিরামপুরে বিরাটরাজার ধনপোতা বা গুপ্তধনের ঢিবির দ্বিতীয় পর্যায়ে খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে মঙ্গলবার খনন কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তর খুলনা ও বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় জন প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ এলাকার লোকজন অংশগ্রহন করেন।

 

প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে খেদাপাড়ায় অবস্থিতি এ প্রত্নতত্তটি ২০০৭ সালে চিহ্নিত করা হয়। গত অর্থবছরে প্রথম প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সার্বিক তত্তাবধানে ও দিকনির্দেশনায় এ ঢিবির খনন কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরে ১১ টি বর্গে হ্যারিস ম্যাট্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাচীন স্থাপনার ধবংসাবশেষ উন্মোচনসহ খননে প্রাপ্ত প্রতœবস্ত সমূহ নথিভুক্ত করা হয়।

 

এছাড়া গতবছর ঢিবির সীমিত একটি অংশে খনন পরিচালনা করে প্রাচীন ইটের নির্মিত চতুষ্কোণ প্রার্থনা কক্ষসহ একটি বর্গাকার স্থাপনার সন্ধান পাওয়া যায়। উন্মোচিত স্থাপনাটিকে প্রাথমিক ভাবে আদি মধ্যযুগের কোন স্থাপত্য নিদর্শনের বলে ধারণা করা হয়।

প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন জানান, কর্তৃপক্ষের নির্দেশে খেদাপাড়া এলাকার বিরাট রাজার ধনপোতা এ ঢিবির কাজ ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৩০ জানুয়ারি শেষ হয়। খননকালে পোড়া ইটের বেশ কয়েকটি স্থাপনার চওড়া দেওয়াল বেরিয়ে আসে। এছাড়াও পাওয়াযায় প্রাচীন মৃৎপাত্রের ভগ্নাংশ, পাথরের টুকরা, বাটি, পশুর হাড় ও লোহার পেরেক। লাভলী ইয়াসমিন জানান, প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে প্রায় এক হাজার দুই’শ বছর আগে এখানে বিরাট রাজার উপাসনালয় ছিল নাকি আবাসস্থল ছিল সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে খনন কাজ শেষ হলে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

rt5dyrtyrtyt

মণিরামপুরে বিরাট রাজার ধনপোতা ঢিবির দ্বিতীয় পর্যায়ে খননের উদ্বোধন

Update Time : ১০:৫০:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

যশোরের মণিরামপুরে বিরাটরাজার ধনপোতা বা গুপ্তধনের ঢিবির দ্বিতীয় পর্যায়ে খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে মঙ্গলবার খনন কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত তামান্না প্রতœতত্ত¡ অধিদপ্তর খুলনা ও বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় জন প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ এলাকার লোকজন অংশগ্রহন করেন।

 

প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে খেদাপাড়ায় অবস্থিতি এ প্রত্নতত্তটি ২০০৭ সালে চিহ্নিত করা হয়। গত অর্থবছরে প্রথম প্রত্নতত্ত অধিদপ্তরের খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সার্বিক তত্তাবধানে ও দিকনির্দেশনায় এ ঢিবির খনন কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরে ১১ টি বর্গে হ্যারিস ম্যাট্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাচীন স্থাপনার ধবংসাবশেষ উন্মোচনসহ খননে প্রাপ্ত প্রতœবস্ত সমূহ নথিভুক্ত করা হয়।

 

এছাড়া গতবছর ঢিবির সীমিত একটি অংশে খনন পরিচালনা করে প্রাচীন ইটের নির্মিত চতুষ্কোণ প্রার্থনা কক্ষসহ একটি বর্গাকার স্থাপনার সন্ধান পাওয়া যায়। উন্মোচিত স্থাপনাটিকে প্রাথমিক ভাবে আদি মধ্যযুগের কোন স্থাপত্য নিদর্শনের বলে ধারণা করা হয়।

প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন জানান, কর্তৃপক্ষের নির্দেশে খেদাপাড়া এলাকার বিরাট রাজার ধনপোতা এ ঢিবির কাজ ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৩০ জানুয়ারি শেষ হয়। খননকালে পোড়া ইটের বেশ কয়েকটি স্থাপনার চওড়া দেওয়াল বেরিয়ে আসে। এছাড়াও পাওয়াযায় প্রাচীন মৃৎপাত্রের ভগ্নাংশ, পাথরের টুকরা, বাটি, পশুর হাড় ও লোহার পেরেক। লাভলী ইয়াসমিন জানান, প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে প্রায় এক হাজার দুই’শ বছর আগে এখানে বিরাট রাজার উপাসনালয় ছিল নাকি আবাসস্থল ছিল সে সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে খনন কাজ শেষ হলে।