ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর কারণ নিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এল ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ায় নিজের বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টের চাঞ্চল্যকর তথ্য
ঘটনার তিন দিন পর, অর্থাৎ রবিবার (১১ অক্টোবর) গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকেরা নানা পাটেকরের মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন যে, মারাত্মক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই এই প্রবীণ অভিনেতার জীবনাবসান ঘটেছে। মূলত হৃৎপিণ্ডের বড় অংশে রক্ত সরবরাহকারী বাঁ পাশের প্রধান করোনারি ধমনীতে রক্ত জমাট বেঁধে সেটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণেই এই কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়।
শেষকৃত্য ও অন্তিম যাত্রা
অভিনেতার মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মালহার গোয়ায় গিয়ে মরদেহ নিজ শহর পুনেতে নিয়ে আসেন। সেখানে তাঁর খামারবাড়িতে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নানা পাটেকরের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।
বর্ণাঢ্য কর্মজীবন ও প্রাপ্তি
হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্র শিল্পে নানা পাটেকরের অভিনয়ের যাত্রা চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত ছিল। বড় পর্দায় অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি একজন দক্ষ লেখক ও পরিচালক হিসেবেও নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। চলচ্চিত্র ও শিল্পকলায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে ভারত সরকার তাঁকে সম্মানজনক ‘পদ্মশ্রী’ খেতাবে ভূষিত করে।
১৯৭৮ সালে পরিচালক মুজাফফর আলির ‘গমন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রূপালী পর্দায় নানা পাটেকরের অভিষেক ঘটেছিল। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
Md Bablu 




